নিজের বাসাকে আপন করে তুলতে কিভাবে সাজাবেন ?

Updated: Nov 18, 2020

নতুন বাড়িতে সুন্দর করে সাজানোর ক্ষেত্রে জীবনে অন্য রকম আনন্দ বয়ে নিয়ে আসে। তবে বাসা কিভাবে সাজালে মনের মতো সুন্দর হবে, তা নিয়ে অনেক অনিশ্চয়তাও হতে পারে। কিভাবে আপনার বাসা সাজালে আপনার নিজস্ব শৈলীর প্রতিফলন হবে, তা অনেক গুরুত্বপূর্ণ। কিভাবে আপনার বাসা সুন্দর এবং সিম্পল দেখাবে , তা আমাদের এই আর্টিকেলে সুন্দরভাবে আলোচনা করা হয়েছে।




একটা কথা আমরা হয়তো শুনেছি ,খালি পেটে বাজার করতে মানা। কারণ, তখন চোখের সামনে যা পাবেন , তাই কিনতে মন চাবে। ঠিক তেমনি, আপনি যদি আপনার বাসা গুছানো নিয়ে খুব বেশি প্যানিক করেন, তখন ফার্নিচার শপিং না করে ভালো। ফার্নিচার শপিং করার আগেই মাথা রাখা উচিত আপনার বাসা কোনো সাইজের ফার্নিচার ভালো মানাবে।তাই একটা মেজারমেন্ট টেপ নিয়ে আপনার বাসা ভালোভাবে মেপে নিন, যেন সঠিক সাইজের ফার্নিচার কিনতে পারেন।


এখানে ২৫ টি জিনিস বা বিষয়ের মাধ্যমে কীভাবে আপনার বাসাকে আপনার পছন্দমত নান্দনিক করে তুলতে পারবেন সে বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে।


প্রথম পর্ব পড়তে ক্লিক করুন


৯.আরামদায়ক তোষক বা জাজিম:

আরামদায়ক তোষক বা জাজিম ব্যবহার করা

একজন ব্যক্তি তার জীবনের এক তৃতীয়াংশ সময় শোয়ে কাটায়, তাই একটু দাম বেশি হলেও ভালো জাজিম কেনা ভালো। এক্ষেত্রে কেনো আস্বস্তিকর তোষক ব্যবহার করা কোমড়ের জন্য খারাপ। তবে,একটা ভাল বিছানা সস্তা নয়,কিন্তু আপনি শেষ কবে আপনার তোষক পরিবর্তন করেছিলেন?স্বাভাবিক অবস্থায়,বিশেষজ্ঞরা ছয় থেকে আট বছর পর তোষক বা জাজিম পরিবর্তন করার পরামর্শ দেন।তাই একটু খরচ করে ভালো জাজিম কেনা ভালো।


১০.বিলাসবহুল বিছানার চাদর :


বিলাসবহুল বিছানার চাদর

শুধু তোষক বা জাজিম কিনলেই হবে না।আপনার বিছানা পরিপাটি রাখার জন্য কিছু সুন্দর চাদর প্রয়োজন।যদি আপনার সুতি এবং সাটিন কাপড়ের চাদর থাকে, তাহলে আপনি কিছু লিলেন কাপড়েরও চাদর কিনতে পারেন।বিশেষ দিনে বা কোন অনুষ্ঠানের সময় আপনি নকশি চাদর,হাতে রং করা চাদর,ব্লকের চাদর প্রভৃতি ব্যবহার করতে পারেন।এগুলো ঘরের সৌন্দর্য বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।




১১.জানালার পর্দা:


জানালার পর্দা ঘরে এক ধরনের আবরণ তৈরি করে ঠিকই,কিন্তু এর অনেক ব্যবহারিক গুরুত্বও রয়েছে।পর্দার জন্যে ব্যক্তিগত গোপনীয়তা রক্ষা করা যায় এবং ছুটির দিনে সহজেই ঘুমানো যায় কারণ রোদ বা সূর্যের আলো ঘরে আসতে পারে না।বিভিন্ন ধরনের জানালার পর্দা রয়েছে।আপনি আপনার পছন্দমত পর্দা বাছাই করতে পারেন।কিন্তু পর্দার রং,ডিজাইন যেন কোনভাবেই ঘরের সাথে বেমানান না হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখবেন।


১২.কার্পেট:


কার্পেটের গুরুত্ব কোনভাবেই অস্বীকার করা যায় না।এটা শুধুমাত্র পুরো ঘরের ডিজাইনকে ফুটিয়ে তোলে না,এটা আপনার ঘরকে স্বস্তিকর ও আরো বেশি আরামদায়ক করে তোলে।যখন একটা কার্পেট পুরনো হয়ে যাবে,তখন নতুন কার্পেট নিয়ে আসুন।



১৩.ফুল দিয়ে বাসা সাজানো:


বিলাসবহুল বিছানার চাদর

যদি আপনি সহজ এবং সাশ্রয়ী উপায়ে আপনার বাসা সাজাতে চান,তাহলে একটা ফুলের তোড়া টেবিলের উপর রাখুন।যখন আপনার বাসা সম্পূর্ণ গোছানো হয়ে যাবে,তখন ফুলদানিতে শুধু একটা ফুলের কুঁড়িই ঘরকে যথার্থ সৌন্দর্যমন্ডিত করে তুলবে।কৃত্রিম ফুল দিয়েও ঘরের সৌন্দর্য বাড়াতে পারেন।এগুলোর সুবিধা হলো অনেকদিন থাকে এবং পানি দিতে হয় না বা পানি পরিবর্তন করতে হয় না।



১৪.স্পা এর ব্যবস্থা করা:


বাথরুমে স্পা করার জন্য তোয়ালে এবং আরামদায়ক গোসলের মাদুর রাখুন।যদি আপনি সাদা জিনিস পছন্দ না করেন, তাহলে আপনার পছন্দমত অন্য যেকোন হালকা রঙের তোয়ালে ব্যবহার করতে পারেন।এগুলো যেন আরামদায়ক এবং ব্যবহার করার জন্য সুবিধাজনক হয়, সেদিকে লক্ষ্য রাখবেন।



১৫.শেলফ বা তাক তৈরি করা:

শেলফ বা তাক তৈরি করা

সবাই ঘরের জিনিসপত্র সঠিকভাবে সাজিয়ে রাখতে চায়।যদি আপনি আপনার বাসা পরিপাটি,পরিষ্কার এবং সুসজ্জিত রাখতে চান,তাহলে আপনাকে শেলফ বা তাক লাগানোর চেষ্টা করতে হবে।এগুলো আপনার জিনিসপত্র যথাস্থানে রাখতে সাহায্য করবে।


১৬.ডাইনিং টেবিল:


আপনি অনেকদিন যাবত রান্নাঘরে বা চায়ের টেবিলে বসে খাবার খেতে পারেন।কিন্তু প্রতিটি আধুনিক বাসার জন্য একটি সুন্দর ডাইনিং টেবিল এবং আরামদায়ক চেয়ার অবশ্যই প্রয়োজন,এমনকি যদি দুজনের সংসার হয় তবুও এগুলো প্রয়োজন।


চূড়ান্ত পর্ব পড়তে ক্লিক করুন







692 views0 comments