আপনার স্ত্রী কোন ধরনের ব্যবহারে সন্তুষ্ট থাকবে

Updated: Nov 13, 2020

বিবাহিত জীবন সুন্দর হতে পারে,কিন্তু এজন্য আপনাকে চেষ্টা করতে হবে।নতুন বিবাহিত অথবা অনেকদিন যাবত বিবাহিত যাই হোন না কেন,যেকোন বিবাহিত জীবনেই মাঝেমাঝে কঠিন সময় আসতে পারে।যদি আপনি মনে করেন সুন্দরভাবে আপনার বিবাহিত জীবন অতিবাহিত করবেন,তাহলে আপনাকে কিছু উপায় গ্রহণ করতে হবে যাতে আপনার স্ত্রী খুশি থাকেন।

পদ্ধতি ১:


১.প্রশংসা করা:


বিবাহিত দম্পতি সবসময় একসাথে থাকে।তাই তাদের জীবনে একঘেয়েমি আসতে পারে এবং একে অপরের প্রতি আকর্ষণ কমে যেতে পারে।এতে বিয়ের প্রথমে যেরকম গাঢ় সম্পর্ক ছিল সেটা নষ্ট হয়ে যায়।আপনার সাথে যেন এমন না ঘটে,সেজন্য আপনি আপনার স্ত্রীর প্রশংসা করুন।তার কাজের প্রশংসা করুন।আপনি তাকে কতটা ভালবাসেন এবং আপনার জীবনে সে কতটা গুরুত্বপূর্ণ তাকে বলুন।তার ছোট ছোট কাজগুলোও খেয়াল করুন এবং সেগুলোর প্রশংসা করুন।সে যেন বুঝতে পারে আপনাদের মধ্যে এখনো গাঢ় সম্পর্ক রয়েছে।


২.ভালবাসার কথা বলুন:

Don't feel shy to say, ' I love you'

আপনার স্ত্রীকে বলুন,আপনি তাকে খুব ভালবাসেন।এতে সে খুশি হবে।প্রতিদিন জীবন জটিল হতে পারে এবং এরকম ছোট ছোট বিষয়গুলোই জটিলতা কমাতে পারে।আপনি এটা প্রতিদিন অভ্যাসবশত বলতে পারেন,কিন্তু মন থেকে বলবেন।বাড়ি থেকে বের হওয়ার আগে আপনি আপনার স্ত্রীর চোখের দিকে তাকান এবং বলুন আপনি তাকে ভালবাসেন।সে যেন বুঝতে পারে আপনি এটা অনুভব করেন তাই বলছেন,শুধু অভ্যাসবশত নয়।সে জানে আপনি তাকে ভালবাসেন কিন্তু আপনার কাছ থেকে এটা শুনে সে খুশি হবে।সে অনুভব করবে আপনি এখনো আগের মতই তাকে ভালবাসেন এবং পাশে থাকতে চান।



৩.উপহার দিন:

স্ত্রীকে ফুল উপহার দিন

মাঝে মাঝে আপনার স্ত্রীকে উপহার দিন।উপহার খুব দামী হওয়ার প্রয়োজন নেই।আপনি ছোট কোন উপহার দিতে পারেন।আপনার স্ত্রী যেন বুঝতে পারে আপনি তার কথা ভাবেন,তার প্রতি যত্নশীল।যেমন:এক বাক্স চকলেট নিয়ে বাসায় আসা,অফিস থেকে বাসায় ফেরার পথে এক তোড়া ফুল কিনে আনা,আপনার স্ত্রী যে বইটি অনলাইনে খুঁজছিল সেটা কিনে নিয়ে আসা।সে কোন জিনিসগুলো পছন্দ করে সেটা লক্ষ্য করুন এবং সেগুলো কিনে তাকে সারপ্রাইজ দিন।সে শুধু উপহারই ভালবাসবে না,সে খুশি হবে যদি আপনি তার সম্পর্কে যথেষ্ট ভাবেন এবং গুরুত্ব দেন।



উপহার ছাড়াও আপনি আপনার স্ত্রীর জন্য যেকোন অপ্রত্যাশিত কাজ করতে পারেন।তার পছন্দের খাবার রান্না করে তাকে সারপ্রাইজ দিতে পারেন।ঘর পরিষ্কার করার কাজে সাহায্য করতে পারেন।এমনকি আপনি বাচ্চাদের বাইরে ঘুরতে নিয়ে যেতে পারেন যাতে আপনার স্ত্রী কিছু সময় তার বন্ধুদের সাথে কাটাতে পারে।


৪.ধন্যবাদ দিন:


বিবাহিত জীবনে মাঝে মাঝে সমস্যা তৈরি হতে পারে এরকম কিছু আলোচনার জন্য,"আমি এটা করেছিলাম, তাই তোমারও এটা করতে হবে"।আপনার স্ত্রীর উপর কোন বিষয় চাপিয়ে দিবেন না।কোন কাজের জন্য জোর করবেন না।বরং আপনার স্ত্রী প্রতিদিন যেসব কাজ করে সেগুলোর জন্য তাকে ধন্যবাদ দিন।সকালে যখন সে আপনাকে কফি দেয় তখন ধন্যবাদ বলুন।অফিসের কাজ শেষ করে বাড়িতে এসে সে যখন ঘরের কাজ করে তখন তাকে ধন্যবাদ বলুন।কোন বিশেষ দিনের প্রয়োজন নেই,আপনার স্ত্রীকে বলুন সে আপনার জন্য যা কিছু করছে সেগুলো আপনি জানেন এবং সে জন্য আপনি কৃতজ্ঞ।


সহজভাবে বলার চেষ্টা করুন।আপনার স্ত্রীকে বলুন,"সবসময় আমার পাশে থাকার জন্য তোমাকে ধন্যবাদ" অথবা "সবচেয়ে ভাল স্ত্রী হওয়ার জন্য তোমাকে ধন্যবাদ।সে বুঝতে পারবে সে আপনার জন্য যা কিছু করে সেজন্য আপনি খুশি এবং কৃতজ্ঞ।



৫.কিছু সময় তাকে নিজের মত করে কাটাতে দিন:


বিয়ের আগে আপনারা উভয়ে আলাদা জীবনযাপন করতেন।শুধুমাত্র বিবাহিত জীবনযাপন করছেন বলেই সব বিষয়ই একে অপরের সাথে ভাগ করে নিতে হবে তার কোন মানে হয় না।আপনার স্ত্রী যদি নির্জনে বসে ডায়েরি লিখতে চায়,তাহলে তাকে তা করতে দিন।তার হয়তো যে কাজের প্রতি আগ্রহ,সেই কাজের প্রতি আপনার আগ্রহ নেই।কিন্তু তাকে তার পছন্দের কাজ করতে দিন।এতে সে আপনার প্রশংসা করবে এবং খুশি হবে।


যখন আপনার স্ত্রী আপনাকে ছাড়া কোন কাজ করতে চায়, সেটা ব্যক্তিগতভাবে নিবেন না।শুধুমাত্র সে একা বইয়ের দোকানে যেতে চায় বলেই সে আপনাকে ভালবাসে না,এটা বোঝায় না।সে যা করতে চায় সেগুলোর জন্য তাকে উৎসাহ দিন এবং আপনিও আপনার পছন্দের কাজ করুন।যদি আপনি ব্যক্তিগতভাবে সুখী হন,তাহলে বিবাহিত জীবনে সুখী হতে পারবেন।


৬.সিদ্ধান্ত নিতে দিন:


বিবাহিত জীবনে প্রতিদিন ছোট ছোট অনেক সিদ্ধান্ত নিতে হয়।এটা এরকম হতে পারে,রাতে আপনি কি খাবেন।এক্ষেত্রে আপনার স্ত্রীকে জিজ্ঞাসা করুন সে রাতে কি খেতে চায়।আপনারা একসাথে সিনেমা দেখতে গেলে কোন সিনেমা দেখবেন সেটা তাকে পছন্দ করতে দিন।রাতে টিভি দেখার সময় রিমোট তাকে দিন।আপনার স্ত্রীকে জানতে দিন যে,তার সিদ্ধান্ত আপনার কাছে গুরুত্বপূর্ণ এবং আপনি তার প্রতি যত্নশীল। এতে সে খুশি হবে।


আপনার স্ত্রীর পছন্দ নিয়ে অভিযোগ করবেন না বা অখুশি হবেন না।এতে সে রাগ করবে এবং কষ্ট পাবে।


৭.ভালবাসার চিঠি লিখুন:


প্রেমপত্র লেখা অদ্ভুত মনে হতে পারে,কিন্তু স্ত্রীকে খুশি করার জন্য এটা একটা সহজ এবং কার্যকরী উপায়।আপনাকে প্রতিভাবান লেখক হতে হবে না।আপনি যা অনুভব করেন তাই লিখুন।সে যেন জানতে পারে আপনি তার কোন বিষয়গুলো ভালবাসেন এবং তার প্রতি আপনার গভীর অনুভূতির কথা জানান।আপনি লিখুন,আপনার স্ত্রীকে ছাড়া আপনি আপনার জীবন কল্পনা করতে পারেন না।ব্যাখ্যা করুন,আপনার জীবনে তাকে ছাড়া কোন কাজ ঠিকভাবে করতে পারেন না।আপনার স্ত্রীর হাসি আপনার কাছে পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর হাসি মনে হয় অথবা তার চুলের স্টাইল আপনি কতটা ভালবাসেন তাকে জানান।


চিঠিগুলো বাড়ির এমন জায়গায় রাখুন যাতে সে সহজেই খুঁজে পায়।একটা চিঠি তার মেকআপ ব্যাগে রাখুন অথবা ঘুমাতে যাওয়ার আগে তার বালিশের নিচে রাখুন।এটা তার জন্যে খুব সুন্দর একটা সারপ্রাইজ হবে এবং সে অনেক খুশি হবে।


.অন্যের সামনে আপনার স্ত্রীর প্রশংসা করুন:

যখন আপনি এবং আপনার স্ত্রী নতুন মানুষের সাথে সাক্ষাত করবেন,তখন আপনার স্ত্রীকে সুন্দরভাবে পরিচয় করিয়ে দিন।এতে আপনার স্ত্রী বুঝতে পারবে আপনি তাকে কতটা গুরুত্ব দেন।সে অনুধাবন করবে আপনি অন্যদের বুঝাতে চান আপনার স্ত্রী আপনার জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।এটা তাকে আনন্দিত করবে।যখন আপনার অফিসে চা বিরতি হয়,তখন আপনার স্ত্রী রান্নায় কতটা পারদর্শী বা সে অফিসে পদোন্নতি পেয়েছেন, সে সম্পর্কে বলুন।আপনার অফিসের পরবর্তী অনুষ্ঠানে সবাই আপনার স্ত্রীর প্রশংসা করবে এবং সে জানবে আপনি তাকে কতটা ভালবাসেন এবং প্রশংসা করেন।আপনার বন্ধুরাও আপনাদের সুখী দম্পতি হিসেবে দেখবে এবং আপনাদের প্রশংসা করবে।



.বেড়াতে যান:


মাঝেমাঝে বাইরে বেড়াতে যাওয়া বিবাহিত জীবনকে আরো সুন্দর করে তোলে।প্রতিসপ্তাহে একদিন আপনার স্ত্রীকে নিয়ে বেড়াতে যান।এমন কিছু করুন যা আপনারা দুজনেই পছন্দ করেন।প্রতিবার বেড়াতে যাওয়ার জন্য নতুন পরিকল্পনা করার চেষ্টা করুন।সিনেমা দেখতে যান।রেস্টুরেন্টে রাতের খাবার খান।আপনার মোবাইল ফোন বন্ধ রাখুন এবং দুজনে মিলে সুন্দর সময় কাটান।আপনার স্ত্রী এসবের জন্য খুশি হবেন।


যদি আপনারা দুজনে কাজ এবং পরিবার নিয়ে খুব বেশি ব্যস্ত থাকেন,তাহলে প্রতি সপ্তাহে বেড়াতে যাওয়ার প্রয়োজন নেই।কিন্তু আপনারা মাঝেমাঝেই বেড়াতে যাওয়ার চেষ্টা করবেন।একবার বা দুইবার গেলেন এবং তারপর ভুলে গেলেন,এরকম করবেন না।


১০.নিজের যত্ন নিন:


সবসময় নিজের যত্ন নিন।অগোছালো হয়ে থাকবেন না।আপনার স্ত্রীর জন্য নিজেকে সুন্দরভাবে তৈরি করুন, যাতে আপনার স্ত্রী বুঝতে পারে আপনি তাকে গুরুত্ব দেন।শুধুমাত্র বিশেষ দিনে ভাল পোশাক পরতে হবে,তা নয়।ঘরের মধ্যেও ভাল পোশাক পরার চেষ্টা করুন।আপনার সুন্দর প্যান্ট পরুন,একটা পরিষ্কার শার্ট পরুন এবং একসাথে রাতের খাবার খান।এটা আপনাদের দুজনের সময়কে আরো সুন্দর করে তুলবে এবং আপনার স্ত্রীকে আনন্দিত করবে।


১১. সাহায্য করুন:


আপনার স্ত্রীকে জিজ্ঞাসা করুন তার কোন সাহায্যের প্রয়োজন আছে কি না।ঘর পরিষ্কার করা বা বাচ্চাদের স্কুল থেকে নিয়ে আসা যাই হোক না কেন,আপনার স্ত্রীকে সাহায্য করুন যাতে তার কাজ সহজ হয়ে যায়।যেদিন আপনার স্ত্রী অফিসের কাজে বা রান্নার কাজে বেশি ব্যস্ত থাকেন,সেদিন আপনি বাচ্চাদের বাইরে ঘুরতে নিয়ে যান।আপনার স্ত্রীকে সবসময় সহযোগিতা করার চেষ্টা করুন এবং সবসময় তার পাশে থাকুন।


* আপনার স্ত্রী ব্যস্ত এবং তার সাহায্যের প্রয়োজন,তখন তার বলার জন্য অপেক্ষা করে থাকবেন না।যদি দেখেন ঘর নোংরা হয়ে আছে,তখন পরিষ্কার করে ফেলবেন।


*নিয়মিত তাকে সাহায্য করার চেষ্টা করবেন।একবার কোন কাজ করে দিলেন,তার ভাল লাগবে।কিন্তু নিয়মিত করলে আপনার স্ত্রী প্রতিদিন খুশি হবেন।



১৩. সব বিষয় তাকে প্রথমে জানান:


যখন বড় কোন ঘটনা ঘটে,আপনার স্ত্রীকে প্রথমে বলুন।এতে আপনার স্ত্রী বুঝতে পারবে সে আপনার জীবনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি।যদি অফিসে আপনার পদোন্নতি হয়,আপনার বন্ধুকে আগেই ফোন করে এই খবর দিবেন না।বাড়িতে গিয়ে আপনার স্ত্রীকে বলা পর্যন্ত অপেক্ষা করুন।তারপর আপনি সবাইকে জানান।সে জানবে আপনি তাকে গুরুত্ব দেন এবং খুশি হবে।


১৪. তার কথা শুনুন:

যখন আপনার স্ত্রী কোন সমস্যা নিয়ে আপনার সাথে আলোচনা করতে চায়,তখন তার কথা শুনুন।আপনি আগেই আপনার মতামত দিবেন না বা রাগ করবেন না।আগে তার কথা ভালভাবে শুনবেন।যদি আপনার স্ত্রী বলেন,চাকুরিতে কেউ তার কাজের কৃতিত্ব নিতে চাচ্ছে,এটা কতটা অন্যায় সে সম্পর্কে আপনি কথা বলা শুরু করবেন না।আপনার স্ত্রীর কথা বলা শেষ হলে আপনি আপনার মতামত ব্যক্ত করবেন।তার রাগ,অভিযোগের কথা বলতে দিন যাতে সে হতাশা থেকে বের হতে পারে।


* আপনার স্ত্রীকে জানতে দিন আপনি তার অভিযোগগুলো মন দিয়ে শুনছেন।আপনি তার পাশে থাকবেন,তাকে সহযোগিতা করবেন,সাহস দিবেন।সে খুশি হবে।


* আপনার উত্তরগুলো যেন সহজ এবং হৃদয়গ্রাহী হয়।আপনি এমন কিছু বলতে পারেন,"এটা খুবই দু:খজনক।আমার খুব খারাপ লাগছে"।এটা থেকে আপনার স্ত্রী জানতে পারবে যে,অবস্থা কতটা খারাপ আপনি সেটা বুঝতে পারছেন।


১৫. কথা বলুন:


সবসময় আপনার স্ত্রীর সাথে চুপচাপ থাকলে সে নিজেকে আপনার থেকে বিচ্ছিন্ন অনুভব করবে।আপনার অনুভূতি সম্পর্কে তার সাথে কথা বলুন।আপনি প্রতিদিন কি চিন্তা করেন এবং অনুভব করেন সে সম্পর্কে তার সাথে আলোচনা করুন।যখন আপনি কোন বিষয় নিয়ে হতাশ থাকেন বা বিপদে থাকেন,তখন তাকে বলুন।যদি আপনার স্ত্রী আপনার অনুভূতিকে কষ্ট দেয় বা খুশি করেন,তাহলে তাকে জানতে দিন।এভাবে আপনি আপনার স্ত্রীর সাথে আরো বেশি ঘনিষ্ঠ ও সুখী হতে পারবেন।


* যদি আপনার কঠিন সময় আসে বা কোন সমস্যার সৃষ্টি হয়,আপনার স্ত্রীকে সবকিছু বলুন এবং সমস্যা সমাধানের সর্বোচ্চ চেষ্টা করুন।এতে বোঝা যাবে আপনি তাকে কতটা গুরুত্ব দেন এবং আপনার স্ত্রী খুশি হবেন।


বিশেষজ্ঞের পরামর্শ:


জিনএস.কিম

মনোরোগ বিশেষজ্ঞ

সম্পর্ক তৈরি করা এবং ভালভাবে বজায় রাখার জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো যোগাযোগ ঠিক রাখা।নিয়মিত একে অপরকে মনের অনুভূতি ব্যক্ত করার চেষ্টা করুন।যখন কোন সমস্যা তৈরি হবে আপনি চিন্তা দূর করার জন্য বলতে পারেন,"আমি সবসময় তোমার পাশে আছি"।এভাবে সম্পর্ক দৃঢ় হয়।








272 views0 comments

5-MinsSolution

Contact us

Tel: +8801713221592

Dhaka, Bangladesh

  • Facebook

Follow us on Facebook