বাসা সিম্পল রাখার ৮টি পদক্ষেপ

Updated: Sep 16, 2020

আপনি যদি নিজের বাড়িতে আরও আরামদায়ক উপায় থাকতে চান, তবে মিনিমালিজম অনুশীলন করতে পারেন । জাপানের বিখ্যাত মারি কন্দ একটা বিখ্যাত উক্তি আছে, ‘Now imagine yourself living in a space that contains only things that spark joy. Isn't this the lifestyle you dream of?"


মনে করুন আপনার বাসা অনেক সুন্দর করে সাজানো, বাসার ভিতর ঢুকলেই আপনার বাসার সব কিছু চোখে পরে। আপনার বাসায় যদি ঢুকতেই ৩০ তা জিনিস থাকে , তাহলে সেই ৩০ তা জিনিসই প্রথমে আপনার চোখে স্ক্যান হবে এবং সেটা আপনার ব্রেন এ একটা ম্যাসেজ দিবে। এবং এতে আমাদের ব্রেন ক্লান্ত অনুভব করে।


আমাদের ঘরে এমন অনেক পোশাক আছে যা আমরা কখনও পরা হয় না। এমন অনেক বই, অব্যবহৃত খেলনা এবং অনেক গ্যাজেট আছে যা বাসায় পরে থাকতে থাকতে হয়তো মাকড়সার জাল পরে গেছে। কিন্তু আলসেমির কারনে বা এত জিনিস কি করবো বলে পরিষ্কার করা হয় না। তাই আপনি যদি আপনার বাসা ঝঞ্জালমুক্ত রাখতে চান, তাহলে মিনিমালিসম লাইফ-স্টাইল ফলো করতে পারেন।


মিনিমালিজম মানে হচ্ছে যতটা সিম্পল থাকা যায়। আপনার বাসা এমন হওয়া উচিত , যা আপনার মনে শান্তি এনে দেয়। মিনিমালিজম অনেকটা সাধনার মতো।

মিনিমালিজম হওয়ার অর্থ আপনি আপনার জীবনে বস্তুগত জিনিসের চেয়ে ব্যাক্তিগত জীবনের বেশি মূল্য দেয়া। এর অর্থ আপনি যা চান তা পাওয়ার পরিবর্তে, আপনার যা প্রয়োজন তার ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া। এর অর্থ এই নয় যে আপনি যে জিনিস কিনেন, তা সস্তা।



মিনিমালিজম থাকার কিছু উপকারিতা রয়েছে , যা নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

  • জীবনের জঞ্জাল /অসন্তুষ্টি থেকে দূরে রাখে।

  • সময়/এনার্জি বাঁচায়

  • নিজেকে বর্তমানে থাকতে শেখায়

  • আমাদের আবেগ অনুসরণ করুন

  • বাস্তব স্বাধীনতা অভিজ্ঞতা

  • খরচ কমাতে সহায়তা করে

  • স্বাস্থ্যের উপর ফোকাসে সহায়তা করে

  • ব্যক্তি হিসাবে নিজের বৃদ্ধি

  • অতিরিক্ত জিনিস থেকে নিজেকে মুক্তি দিন

একটি মিনিমালিস্ট বাসা তৈরির ৮ টি পদক্ষেপ শিখে নেই:


সঠিক রঙ ব্যবহার:


বাসার জন্য কখনো ও গাড়ো রং ব্যবহার করা উচিত না। আপনার বাসা আরও বড় দেখা যাবে যদি আপনি হালকা রং: (সাদা, আকাশী , হালকা ধূসর ইত্যাদি) ব্যবহার করুন।


প্রয়োজনীয় ফার্নিচার বিবেচনা:

আপনার বাসায় আসলে কতধরনের আসবাবের প্রয়োজন, তা বিবেচনা করুন। ডাইনিং রুমে টেবিল এবং চেয়ারের চেয়ে বেশি কিছু রাখার দরকার নেই। এমনকি, ডাইনিং টেবিলের উপর কোনো শো-পিস ও দরকার নেই। বেডরুমে বিছানা, ড্রেসার এবং একটি নাইট স্ট্যান্ড রাখতে পারেন।আপনি আপনার রুমে যতোকিছু রাখবেন, তত ক্লাটার/ হিবিজিবি সৃষ্টি হবে।


পরিমানমতো ফার্নিচার:

আপনার বাসায় সব কিছু বড়- বড় না করে পরিমানমতো ফার্নিচার রাখুন। আপনার বেডরুম যদি ছোট হয়, তবে বিশাল আকারের বিছানা না রেখে, আপনার ঘরের সমানুপাতিক বিছানা ব্যবহার করুন; এতে আমার ঘরটিকে আরও প্রশস্ত দেখা যায়।কারন, ফার্নিচার ছোট হলে বাসায় জায়গা বেশি থাকে।


সীমাবদ্ধ সংগ্রহ:


আপনার বাসায় যে জিনিস আপনি গত ছয় মাস ব্যবহার করেননি, তা হয়তো অন্য কাউকে দিয়ে দিতে পারেন অথবা বিক্রি করে দিতে পারেন, এতে করে বাসায় আরো জায়গা সৃষ্টি হবে। বাসায় অযথা জিনিস, যেমন : পুরানো সিডি কালেকশন, পুরানো ম্যাগাজিন, পুরাতন কাপড় অযথা জায়গা নষ্ট করে।


খালি দেয়াল:

আপনার বাড়ির দেয়ালে হয়তো অনেক পারিবারিক ছবি আছে অথবা পেইন্টিং ঝুলানো আছে। কিন্তু, আপনি যদি আপনার বাসা মিনিমাম/সিম্পল রাখতে চান, তাহলে ঘরের দেয়ালে কোনো ছবি না থাকায় ভালো।


পরিষ্কার মেঝে:

আপনার ফার্নিচারগুলো এমনভাবে সাজান, যাতে পর্যাপ্ত হাঁটার জায়গা থাকে। পর্যাপ্ত হাঁটার জায়গা থাকলে, বাসা কম ক্লাটারড মনে হবে। ঘরের মেজেতে কার্পেট না ব্যবহার করা ভালো।


সীমিত ক্রয়:

আমরা বাসায় বিশৃঙ্খলার প্রধান কারণ হলো অযথা জিনিস কেনা। বাসার জন্য শুধুমাত্র আপনার ব্যবহারের জন্য অপিরিহার্য ফার্নিটারিগুলো কিনুন। আপনি হয়তো মার্কেটে গিয়েছেন এবং হটাৎ করে কিছু একটা পছন্দ হলো; তা কিনে বাসার এক কোনায় রেখে দিলেন , এতে করে বাসায় বিশৃখলা সৃষ্টি হয়।


সক্রিয় থাকুন:

আপনি কি বাড়িতে এসে যেখানে সেখানে বাজার ফেলে রাখেন? দীর্ঘ লম্বা দিনের পরে ফ্লোর বাজার রাখাটা সহজ, তবে এথেকেই বাসার ক্লাটার শুরু হয়। বাসায় কিছু আনার পর, তা সাথে সাথে গুছিয়ে ফেলুন, এতে আপনার বাড়ি বিশৃঙ্খলা মুক্ত হবে।


আমাদের আর্টিকেল ভালো লাগলে, দোয়া করে শেয়ার দিন এবং আমাদের পেজ এ লাইক দিন যেন প্রতিনিয়ত আর্টিকেল দেখতে পারেন।

https://www.facebook.com/5minssolution/

















Resources:

https://www.theminimalists.com/minimalism/

https://nosidebar.com/why-minimalism/

https://www.lifehack.org/articles/lifestyle/how-to-declutter-your-life-and-reduce-stress.html


2,062 views0 comments

5-MinsSolution

Contact us

Tel: +8801713221592

Dhaka, Bangladesh

  • Facebook

Follow us on Facebook