সন্তানকে বুদ্ধিমান করে তোলার উপায় (প্রথম পর্ব)

Updated: Nov 19, 2020


আপনি নিজের সন্তানকে গড়ে তোলার জন্য যথাসাধ্য চেষ্টার কোনও ত্রূটি করছেন না। অবশ্যই, আপনার সন্তান চৌকস, মেধাবী, বুদ্ধিমান বা ইন্টেলেজিন্স হয়ে বেড়ে উঠুক সেটাই আপনি চাচ্ছেন। তবে এ নৌকায় আপনি একা নন। সব মা-বাবা বা অভিভাবক তাদের সন্তানকে এগিয়ে নিতে চায় । জীবন যুদ্ধে সফল করার জন্য সন্তানের জন্য বিশেষ সুযোগ সুবিধা সৃষ্টি করতে চাচ্ছেন সব মা-বাবা বা অভিভাবক। সন্তানকে গড়ে তোলার এ সব কাজকে তাদের কাছে বিশাল বলে প্রতীয়মান হতেই পারে।


বাস্তবে, শিশুর মানসিক বিকাশকে সহায়তা এবং ত্বরান্বিত করার জন্য করণীয় কাজগুলো সহজ। এটি দৈনন্দিন, আটপৌরে এবং প্রাত্যহিক কাজকর্ম এবং অভ্যাসের সঙ্গে জড়িত। আপনার জীবনজুড়ে যা চলছে বা ঘটছে তা নিয়ে আপনার সন্তানের সাথে কথা বলুন, আলোচনা করুন। তাদেরকে বই পড়তে অবিরাম উৎসাহ যোগান। সন্তানকে হাতের কাজ, শিল্পকলা, খেলাধুলা এবং অন্যান্য ক্রিয়াকলাপ, কর্ম তৎপরতা ঘেঁটে ও খুঁটিয়ে দেখতে দিন। প্রাত্যহিক জীবনের ছোট ছোট এ সব আচরণ সন্তানের জীবনে বড় সুপ্রভাব ফেলবে, তাদের জন্য বিশাল পার্থক্য ডেকে আনবে। আদর মাখা, ভালোবাসা জড়িত, প্রেমময় বাড়িতে বেড়ে ওঠার মতোই এ সব আচরণ আপনার প্রিয় সন্তানকে জীবনে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ সৃষ্টি করবে।


পদ্ধতি ১.

আলাপচারিতায় উৎসাহ দিন


১. বই পড়ায় উৎসাহ দিন :

বই পড়াতে বাচ্চাদের চিন্তাধারার উন্নতি

আপনার প্রিয় সন্তানকে বই পড়ে শোনান। প্রতিদিন শিশুকে বই পড়ে শোনানোর ফলে তার জীবন গড়ার বিস্তর সুযোগ-সুবিধা পাবেন। বই পড়ার মধ্য দিয়ে একদিকে আপনার সঙ্গে তার আবেগ ও সংবেদনশীল বন্ধন আরও ঘনিষ্ঠতর হবে। অন্যদিকে, গড়ে উঠতে থাকবে শিশুটির শব্দ ভাণ্ডার। আর বিকাশ ঘটবে বুদ্ধিমত্তার। চৌকস থেকে চৌকসতর হতে থাকবে শিশুটি। ঘটবে মেধার বিকাশ। খানিকটা বোঝার মতো বয়স হলে কি বই পড়তে হবে তা সন্তানকেই বেছে নেয়ার অবকাশ এবং স্বাধীনতা দিতে থাকুন। এ ভাবে সন্তানও নিজের জন্য বই বেছে নেয়ার কাজটি পছন্দ করতে ও ভালোবাসতে শিখবে।

২. বই নিয়ে আপনার শিশুর সঙ্গে কথাবার্তা বলুন, আলোচনা করুন

সন্তান যখন খুব ছোট থাকবে, বই পড়ে শোনানোর সময়, বইয়ের ছবিতে কি কি রয়েছে তা নিয়ে প্রশ্ন করুন। বইয়ের পাতায় কি রয়েছে তাও জানতে চান। সন্তানটি একটু বড় হলে বদলে দিন এ প্রশ্নের ধরণ । পড়া বই নিয়ে শিশুটি কি ভাবছে কিংবা পড়ার মতো বইটি কেমন লেগেছে, বই নিয়ে সে কি ভাবছে, তার প্রতিক্রিয়া কি - সে সব ব্যক্ত করতে বলুন। বইপড়াকে শিশুর বুদ্ধি বিকাশের সূচনা হিসেবে গড়ে তুলতে পারলে তার বুদ্ধি বিকাশের ধারাকে আপনি তীব্র ভাবে গতিশীল করে তুলতে পারবেন। বলতে পারেন, ঝড়ের বেগে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারবেন।

উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, কোনও বইয়ের প্রাণীর ছবি দেখানোর সাথে সাথে শিশু সন্তানকে প্রশ্ন করলেন, -‘এর নাম কি?’ –‘এটি কি খায়?’ –‘এ প্রাণী কোথায় থাকে?’

অথবা সন্তান যখন একটু বড় হয়ে যাবে তখন সে যে বই পড়ছে তা নিয়ে আগ্রহ দেখান। সন্তান কি ধরণের বই পড়ছে তা জানতে চান। অথবা যে গল্পটি পড়েছে তার মধ্যে সবচেয়ে ভালো কি লেগেছে তাও জানতে চাইতে পারেন।

পাশাপাশি আপনার সবেমাত্র পড়া বই নিয়ে সন্তানের সঙ্গে আলাপ করেন। আলাপচারিতার ফাঁকে তাকে প্রশ্ন করতে পারেন সন্তানকে। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, -‘এ বইতে শিক্ষণীয় বিষয় কি কি ছিল?’ –‘জীবনে যদি এ গল্পের মতো পরিস্থিতির মুখোমুখি হও তখন কি গল্পের মানুষটি যে কাজ করেছে তুমিও কি তাই করবে? মানে ওই বইয়ে দেখান পথকে বেছে নেব?’

৩. আপনার শিশু বা সন্তানের সঙ্গে দৈনন্দিন জীবন নিয়ে কথা বলুন, আলোচনা করুন।

বাচ্চাদের সাথে সময় কাটাবার চেষ্টা করুন

সাংসারিক বা জাগতিক বিষয়ে কথা বলা, দৈনন্দিন জীবনের জিনিসগুলোকে বয়সী মানুষের কাছে নেহাৎ তুচ্ছ বা প্রাথমিক বিষয় বলে মনে হতেই পারে। কিন্তু আপনাকে মনে রাখতে হবে যে বিশ্ব কীভাবে কাজ করে তাই শিখছে আপনার সন্তান। তাই তার কাছে এ সব আটপৌরে জিনিস বা ঘটনা প্রবাহকে নতুন এবং উত্তেজনাপূর্ণ বলে মনে হচ্ছে! আপনার দিনটি কেমন গেল তা নিয়ে সন্তানের সঙ্গে গল্প করুন। কেনাকাটার সময় আপনি কী করছেন তা নিয়ে আলাপ করুন। দেখবেন, প্রাত্যহিক জীবনযাত্রা সম্পর্কি উপলব্ধি করার আগেই দৈনন্দিন জীবনযাত্রা পদ্ধতির মোদ্দা কথাগুলো সে শিখে গেছে। শিখছে এটা বোঝার বা উপলব্ধি না করেই শিখছে আপনার সন্তান।


আপনার শিশুকে তাদের অনুভূতি, চিন্তাভাবনা, মতামত এবং ধারণা সম্পর্কে খোলামেলা প্রশ্ন করুন। সে যে জবাব দিল তা নিয়েও প্রশ্ন করুন। কেন সে এমন জবাব দিল তা জানতে চান। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, প্রিয় কাজ কি এমন প্রশ্নের জবাবে আপনার সন্তান হয়ত বলেছে, ফুটবল খেলা তার প্রিয় কাজ। তা হলে এবারে জানতে চাইতে পারেন, -‘কেনও ফুটবল খেলা তার প্রিয়?’

৪.

মোবাইল ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করুন

বাচ্চাদের নির্দিষ্ট সময়ের জন্য মোবাইল ব্যবহার

(মোবাইল, ল্যাপটপ, কম্পিউটার, টিভি, ভিডিও গেম ইত্যাদিকে ইংরেজিতে এক কথায় ‘স্ক্রিন টাইম’ বা ‘পর্দার সময়’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়। অর্থাৎ পর্দার দিকে দৃষ্টি নিবন্ধ রেখে শারীরিক ভাবে নিস্ক্রিয় হয়ে বসে থাকাকে বোঝান হয়। শিশুদের এমন

অভ্যাসের সঙ্গে আমরা হাল আমলে পরিচিত হতে শুরু করলেও এমন আচরণের উপযুক্ত বাংলা নাম এখনও দেয়া হয়নি। এ ক্ষেত্রে ‘মোবাইল ব্যবহার’ বলতে উপরের সব অভ্যাসকেই বোঝান হয়েছে।)


সন্তানের মোবাইল ব্যবহারের সময় নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। তুলনামূলক ভাবে বয়সে বড় শিশুদের টিভি দেখতে, ভিডিও গেম খেলতে, বিনোদন অ্যাপ্লিকেশনগুলি ব্যবহার করার জন্য মাঝারি পরিমাণে সময় ব্যয় করতে দেয়া যেতে পারে। তাতে শিশুর মনোদৈহিক বিকাশের ক্ষেত্রে কোনও ক্ষতিকর প্রভাব পড়ে না বলে ধরে নেয়া হয়। এ ছাড়া, অনলাইনে এবং বিভিন্ন ডিভাইসের মাধ্যমেও প্রচুর উপকারী বিষয়ে শেখার সুযোগ এবং অবকাশ রয়েছে। কিন্তু এখানেও মনে রাখতে হবে, বিষয়বস্তুগুলোকে আপাতত শিক্ষাণীয় বলে মনে হলেও আপনার সন্তানকে সে গুলো পুরোপুরি স্বাধীন ও মুক্ত ভাবে ব্যবহার করতে দেয়ার আগে দ্বিতীয়বার ভাবনা চিন্তা করবেন।


২. বছরের কম বয়সী শিশুদের জন্য শূন্য মোবাইল সময় এবং ২ বছরের বেশি বয়সের শিশুদের জন্য সময় ১ বা ২ ঘন্টা সময় নির্ধারণ করে দেয়ার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা।


বিদ্যালয়ের লেখাপড়ার সঙ্গে জড়িত কাজের জন্য ইলেক্ট্রনিক ডিভাইসগুলো ব্যবহার করতে দেয়ার পেছনে যুক্তি রয়েছে। তবে সন্তানকে ইন্টারনেটে অবাধে সার্ফিং বা ঘোরাফেরা করতে দেয়ার ব্যাপারে সাবধান থাকুন, সোশ্যাল মিডিয়া, গেমিং ইত্যাদিতে খুব বেশি সময় ব্যয় না হয় সে দিকে মা-বাবাকে চোখ খোলা রাখতে হবে।


মোবাইলে পেছনে যে সময় ব্যয় করবে তার চেয়েও ভালো ভাবে সময় ব্যয় হতে পারে। আরও সক্রিয় ভাবে সময় ব্যয় করতে পারে সন্তানটি। মা-বাবার সঙ্গে কথা বলে, আলাপ আলোচনার মধ্য দিয়ে সৃজনশীলতা বাড়ানোর মতো কাজে আপনার সন্তান তার সময় ব্যয় করতে পারে। এ সব ক্রিয়াকলাপ আপনার সন্তানের বুদ্ধিভিত্তিক বিকাশ এবং দৈহিক স্বাস্থ্যের জন্য আরও দীর্ঘমেয়াদী সুবিধা বয়ে আনতে পারে।


কীভাবে ইন্টারনেট ব্যবহারের ক্ষেত্রে নিরাপদ থাকা যেতে পারে তা নিয়ে আপনার সন্তানের সাথে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করুন। ইন্টারনেটে কী কী সন্ধান করতে বা খুঁজে দেখতে হবে তা আপনি হাতে কলমে দেখান। এ কাজে কোনও ভুল দেখতে পেলে তারা যেন মা-বাবার সঙ্গে সরাসরি কথা বলে তাও শেখান। এ ভাবে খোলামেলা আলোচনার জন্য সন্তানকে উৎসাহ দিন।


আপনার সন্তান যদি বিশ্ব সম্পর্কে কোনও প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করে, বলুন, -আসো ইন্টারনেটে খুঁজে দেখি। তারপর একসাথে, ইন্টারনেটে উত্তরটি খোঁজাখুজি করুন। পড়ালেখা বা শেখার কাজে ইন্টারনেট কীভাবে ব্যবহার করতে হবে তা জানতে এবং শিখতে আপনার সন্তানকে এ ভাবেই সহায়তা করতে পারেন।

.বিকাশের পরিবেশ তৈরি করুন:


সন্তানকে নিয়ে কতটা গর্বিত – সে কথা আপনি অবশ্যই তাকে বলতে চাইতে পারেন। কিন্তু এ কথাটা যদি ক্রমাগত বলতে থাকেন, আখেরে তার ফল শুভ হবে না। বরং তাকে নিরুৎসাহিত করা হতে পারে। সন্তান যদি ঘুরেফিরে শুনতে পায় যে, সে কতটা বুদ্ধিমান, মেধা বা প্রতিভার অধিকারী তাহলে, তার মাথায় ঢুকে যেতে পারে চৌকস হওয়াটা একটি সহজাতগুণ। জন্মের সময়ই এ গুণ তার মধ্যে বর্তিয়েছে, তাই আর তার বিশেষ কোনও চেষ্টা করার দরকার নেই। সহজ ভাবেই সে সব জায়গায়, সব সমস্যার ক্ষেত্রে পার পেয়ে যাবে। মুশকিল দেখা দেয় যখন কোনও কিছু তুলনামূলক ভাবে পরিস্থিত জটিল বা সমস্যার হয় দাঁড়ায়। সে তখন কাজের উৎসাহ আর ধরে রাখতে পারে না। হতাশ হয়ে পিছিয়ে পড়ে।


৬.মেধার প্রশংসা করার পরিবর্তে একটি পরিণত মানসিকতা বোধকে উৎসাহিত করুন:

পরিণত মানসিকতা বোধকে উৎসাহিত করুন

পরিশ্রমের মধ্য দিয়ে দক্ষতা অর্জন করা যায় এমন বিশ্বাসকেই পরিণত মানসিকতা হিসেবে গণ্য করা হয়। সন্তানের এ বোধকে উৎসাহিত করা হলে পরিণামে তাকে সর্বমুখী পরিশ্রমী মনোভাবের এবং চৌকস হতে উৎসাহ যোগান হবে।


সন্তানের মেধার প্রশংসা করার বদলে কঠোর পরিশ্রমী মনোভাবে প্রশংসা করুন। ‘গণিতে সত্যিই মেধার পরিচয় দিয়েছ’ বলার বদলে বরং বলুন, ‘গণিত নিয়ে যা ঘাম ঝরিয়েছ বা হাড় ভাঙ্গা খাটুনি খেটেছ তার সুফলও হাতে হাতে পেয়েছ।’

আপনি কোনও কাজের জন্য বিশেষ করে সফল হওয়ার জন্য কি কঠোর পরিশ্রম করেছেন সে সব গল্প সন্তানকে বলুন। এ সব কৌশল আপনার প্রিয় সন্তানকে তার অধ্যবসায় অব্যাহত রাখতে এবং বাধাবিঘ্ন বা বিরূপ পরিবেশকে স্বাভাবিক ভাবে গ্রহণ করে এগিয়ে যেতে এবং এমন পরিস্থিতর প্রতি সুন্দর মনোভাব বা ভালো প্রতিক্রিয়া দেখাতে শেখাবে। এ ভাবেই, নিজ মেধার পূর্ণ ব্যবহার করতে শিখবে আপনার সন্তান। মেধা ব্যবহারের সম্ভবনাকে বাড়িয়ে তুলবে সে।


আপনার সন্তান যখন স্কুলে কোনও বিষয় শিখতে যেয়ে হিমসীম খাচ্ছে বা রীতিমতো লড়াই করছে তখন তার শেখার পদ্ধতি বদলে দিতে পারেন। গণিতে ভালো করছে না? ভয়ের কিছু নেই, ঘরের হিসাব কিতাবের সময় তাকে কাজে লাগান, টাকাকড়ির হিসাব তাকে রাখতে দিন। ঈদ, বড়দিন, বা দুর্গা পূজার আর কয়দিন কয় ঘণ্টা বাকি বা কতোদিন, কতোঘণ্টা আগে শেষ হয়েছে তা বের করতে দিন। এ ভাবে দেখবেন গণিতে তার মাথা পাকা হয়ে গেছে।


কোনও বিষয়ে ব্যর্থ হলে বা খারাপ করলে এ নিয়ে তার সঙ্গে কথা বলুন। কি করতে হবে আলাদাভাবে জিজ্ঞাসা করুন এবং তাকে চেষ্টা চালিয়ে যাওয়ার জন্য উৎসাহ দিতে থাকুন।

৭. সন্তানকে মানসিক ভাবে বেড়ে ওঠার মতো খাবার দিন:

মানসিক ভাবে বেড়ে ওঠার মতো খাবার দিন

পুরানো প্রবাদ অনুযায়ী, প্রাতঃরাশ বা নাশতা হল দিনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ খাবার। এটি নিছক কথার কথা নয়, এর পেছনে কিছুটা হলেও সত্যতা রয়েছে। আপনার সন্তান যদি সকালেই ক্ষুধার্ত থাকে তবে দিনের অন্য সময়ে তার মনোনিবেশ করতে বা মনোযোগ দিতে সমস্যা হবে। খানিকটা বেলা হলে সে ক্লান্তি বা বিরক্তিকর আচরণ করতে পারে। তাই ভোরে তাকে ভালোভাবে খাওয়ান আর দিনটা সফল করার জন্য তাকে এগিয়ে নিয়ে যান।


৮. শেখার বিভিন্ন শৈলীকে সম্মান করুন:


বিশেষজ্ঞরা হালে বুঝতে পেরেছেন যে বিভিন্ন ধরণের মেধা এবং বুদ্ধিমত্তার রয়েছে। এর সাথে জড়িত শৈলীর নানা রকমরের রয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, আপনার সন্তান হাতে কলমে শিখতে পছন্দ করে। পরিভাষাগত দিক থেকে একে স্থানিক শিক্ষানবিস বলা হয়। আবার অন্য কেউ হয়ত একটি মৌখিক শিক্ষানবিস হতে পারে। কি করতে হবে সে সম্পর্কে কথা বলতে পারলে বা আলাপ-আলোচনা করলে এ ধরণের শিক্ষানবিসরা ভালো করে থাকে। কেউ যখন কী করতে হবে সে সম্পর্কে আলোচনা করে তখনই এ সব শিক্ষানবিসদের জন্য সবচেয়ে ভাল হয়।


আপনার সন্তানের শেখার শৈলীকে খোলা মনে গ্রহণ করুন, এটি আপনার থেকে আলাদা হতেই পারে।

সন্তানকে নিজ শিক্ষা শৈলী এবং তৎপরতা খুঁজে বের করতে সহায়তা করুন। তার নিজের কাছে ভালো লাগবে এমন শিক্ষা শৈলী বা কৌশল বের করতে সন্তানকে সহায়তা করুন।




সন্তানের সাথে কিভাবে ব্যবহার করতে হবে তা জানার জন্য আমাদের দ্বিতীয় পর্ব রা হয়েছে




318 views0 comments